এই তিন ধরনের মানুষকে কখনোই বিয়ে করবেন না ,সুখী হতে চাইলে দেরী না করে বিস্তারিত পড়ুন

Spread the love

জীবনের একটা সময়ে বিয়ে করা বা বিয়ে করার ইচ্ছা হওয়া বা যেভাবেই হোক একটা সময় প্রতিটা মানুষকেই বিয়ের আসরে বসতে হয় । আর বিয়ে নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক মানুষেরই থাকে অনেক ধরনের মতামত, আসলে মতামত থাকারোই কথা । কারন মানুষ বিয়ের আগে একরকম আবার বিয়ের পরে আরেকরকম । মানুষের জীবন পাল্টায় বেচে থাকার ধরন পাল্টায় আবার বিয়ের পর দায়িত্ব বেড়ে যায় এটাও অনেকে বলে থাকে মানে যারা আসলে বিয়ে করেছে তারা বলে থাকে ।

বিয়ে করা নিয়ে আমাদের মধ্যে অনুশোচনা থেকেই যায় যেমন: কেমন বিয়ে করবো বউটা কেমন হবে ,জামাই মানে বর কেমন হবে ,আমার জন্যে কোনটা পারফেক্ট কোনটা পারফেক্ট নয় আসলে এই অনুশোচনায় আমরা বেশী ভুুগ । এই ভুগাভুগির মাঝে থেকেও আমাদের বিয়ে হয়ে যায় অনেকের । আর বিয়ের মানুষটা কারো পারফেক্ট হয় আবার কারো হয়না আসলে এটা সৃষ্টিকর্তার লিখা তবে আমরা যদি কিছু বিষয় সবসময় মাথায় রেখে এ কাজটা করি তাহলে হয়তো অল্প হলেও লাইফে পারফেক্ট মানুষটাকে আনা সম্ভব।

তাই আমাদের জীবনের এই বড় ডিসিসানে আমাদের কেমন মানুষগুলাকে বেছে নেওয়া ‍উচিৎ সেটা জেনে নেই । আর এটা আপনি জানুন এবং আপনার পাশের বন্ধুকেও জানাতে সাহায্য করুন ।

 বিয়ে করার জন্য প্রথমত

আমরা অনেকেই এই ভুলটা করে থাকি আমরা অনেকে মনে করে থাকি যে একটা ভালো ক্যারিয়ার ঘরা মেয়ে অথবা ছেলে হলেই হয়তোবা আমাদের জন্য পারফেক্ট একটা মানুষ হতে পারে বা হবে  এই ভেবে আমরা সবচেয়ে বড় ধরেনের ভূল টা করে থাকি ।

বিয়ের পর এমন ছেলে মেয়েদের ক্ষেত্রে ঘটে উল্টটা ,কারন বেশী ক্যারিয়ারিস্ট ছেলে মেয়েরা যারা শুধু ক্যারিয়ার বলতে তাদের ডিগ্রী অর্জনকেই বুঝায় তারা তাদের সংসার এর প্রতি কখনোই মনোযোগী হয়না ।তাদের কাছে পরিবার ,সন্তান ,সমাজ ,দেশ কোনো ইসু না বললেই চলে ।

এই প্রকৃতির মানুষ গুলা আসলেই অনেক ভয়ানক হয়ে থাকে । যাদের কাছে ক্যারিয়ারই সবকিছু এমন ছেলেমেয়েদের প্রতি তাদের এক্টিভিটি দেখে আপনি যতই আকর্ষিত হোন এবং তাদেরকে বিয়ে করেন তাহলে আপনাকে পস্তাতে হবে একশো ভাগ । সত্যি বলতে কি এদের কাছে ক্যারিয়ার টা হলো একটা হলিস্টিক ইস্যুর মতো যা তাদের মাইন্ড কে এবং জীবন ব্যাবস্থাকেও এমন ভাবে ঘরে তুলে ।

বিয়ে করার জন্য দ্বিতীয়ত হলো

এমন সব নারী পূরুষদের আমাদেরকে এড়িয়ে চলতে হবে যারা কিনা ফ্রী মিক্সার টাইপের । তাদেরকে সবসময় আমাদের এড়িয়ে চলতে হবে । কারন এরা এমন টাইপের হয় যে ,একজন নারী অথবা পূরুষের মধৌ তাদের চাহিদা অনুযায়ী বহু গুন খুজে পেতে চায়  ।

এমন টাইপের ছেলে মেয়ে হতে দূরে থাকুন কেনোনা আপনার যদি তাদের মতো কাউকে বিয়ে করেন তাহলে আপনার মধ্যে সে বহু গুন খুজে পেতে চেষ্টা করবে আর যদি তার চাহিদা মাফিক গুন না পায় তাহলে তার  না পাওয়া গুন গুলোকে নিয়ে ভিবিন্ন ঝামেলা শুরু হয়ে যায় ।

আর যদি স্বামী স্ত্রির মধ্যে এমনটা চলতে থাকে তাহলে একটাসময় দুইজনের প্রতি তাদের কোনো সম্মানবোধ কাজ করবেনা এবং এটা তাদের কে পর পূরুষ/নারীর প্রতি আকৃষ্ট করতে বাধ্য করে তুলে আর একটা সংসার এভাবেই পতন ঘটে ।

এমনটা হতে পারে যে বিয়ের পর দুই স্বামী /স্ত্রী কর্মজীবন শুরু করলে ,আপনার এই পারিবারিক কলহের কারনে তারা অনেক বন্ধুবান্দব ঘরে তুলতে পারে আর এমনট হয় শুধূ চাহিদা পাওয়া না পাওয়ার কান্ড কে কেন্দ্র করেই ।

ফ্রী মিক্সার টাইপের

ছেলে/মেয়ে পারিবারিক এই বিবাদের কারনে তারা তাদের ফ্রেন্ডলিস্টে এমন কিছু লিচু প্রজাতির বন্ধুদের কে রাখে যখনি তারা ‍সুযোগ পাবে আপনার স্বামী /স্ত্রীর প্রতি পূর্ন সমর্থন বা অধিকার ঘরে তুলবে ।

আর তখনি স্বামী /স্ত্রী তাদের পরিবার ভূলে গিয়ে আরেকজনের জন্য নিজের সব দুয়ার খুলে দিতে দ্ধিদা বোধ করেনা ।

তখনি শুরু হয় একটি সম্পূর্ন পর’কিয়া সম্পর্ক ।

আর এর জন্য কখনো কখনো আপনার ফেমিলিতে মনমালিন্যর দরকার ও

পরবেনা ইকটু অ্যাডভেঞ্চার এর আশায় তার বন্ধুর সাথে হয়ে যেতে পারে অনেক বড় কোনো সারপ্রাইজ যা ‍বুঝতেই পারছেন ।

এই যে তদের মধ্যে একটা নির্লজ্জতা ঘরে উঠবে সেটা তাদের কে এমন এমন স্থানে পৌছে দিতে সাহায্য করবে

যেখান থেকে ফেরানো কখনোই সম্ভব না । এমন মিক্সার টাইপের ছেলেমেয়েরা এমন এক নৌকা কথায়বলেনা যার কোনো মাঝি নাই ।

মানে এক কথায় এদের কোনো বিবেক বলতে কিছু থাকেনা ।

এই নির্লজ্জতার স্বভাব তাদেরকে এমন এমন জায়গাতে নিয়ে ঠেকায় যেখানে অনেক বড় বড় অ’প’রাধও তাদের কাছে কিছু না ।

আর তারা কখন গিয়ে কার ঘাটে পৌছে তাদের নিজেদের কোনো গতি বা গন্তব্য জানা থাকেনা ।

এমন সব মানুষ থেকে সবসময় দূরে থাকার চেষ্টা করবেন ।আর বিয়ের জন্যতো নাই ।

তিন নাম্বার হলো

আপনি কখনোই এমন কাউকে বিয়ে করতে যাবেন না যেটা হয় ঐ যে ক্লোজআপ

কাছে আসার সাহসী গল্পের নায়েক এবং নায়ীকার মতো এমন কাউকে কখনো বিয়ে করবেন না ।

কি বুঝলেন নাতো চলুন আপনাদের বিষয়টা বুঝিয়ে বলি ।

আমাদের লাইফে হয়তোবা এমন এমন কারো সাথে দেখা হয়ে যায় যারা আসলে আমাদের থেকে অনেক আলাদা প্রকৃতির ।

আপনি যদি আবেগী কোনো ভালোবাসার গল্পের নায়িকা মানে কারো

গার্লফ্রেন্ড ছিলো এমন ছেলে অথবা মেয়েকে বিয়ে করেন তাহলে কেমনটা হবে শুনুন ।

১ । আপনার সঙ্গি অথবা  সঙ্গিনী আপনাকে বিয়েতো করলো আর বিয়ে করার পর

আপনাকে সে ভালোবাসতে চেষ্টা করবে কিন্তু সে কি তার আগের প্রেমিক কে ভূলে থাকতে পারবে ।

হা যদিও সে আপনাকে ভালোবাসতে শুরু করে তার আগের ইয়েকে ভূলে

তাহলে ভালোবাসার চাইতে দায় মেটানোর চেষ্টাটাই থাকবে সবচেয়ে বেশী ।

এমনটা হতে আপনার জীবনে যে আপনি সারাটি জীবনই আপনার সত্যিকারের  ভালোবাসা থেকে

বঞ্চিত হতে পারেন

আপনার নিজের অজান্তেই ,তাই এতোটা আবেগী না হওয়াটা বেটার ।

কারন,একজন বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড কখনোই ভালো জীবনসঙ্গি হয়না আর তারা আপনার  থেকে তার অতীতকে মনে করবে বেশী ।

এমন টাইপের ছেলে মেয়ে কখনোই ভালো হয়না আর ভালো ছেলে মেয়েরা কখনোই বয়ফ্রেন্ড অথবা গার্লফ্রেন্ড হয়না ।

২ । সে তার আগের প্রেমিক  কে বা ভালোবাসার মানুষকে সারাজীবন ভালোবেসে যাবে কিন্তু আপনার

সাথে করবে ভালোবাসার মিথ্যা অভিনয় ,আর সারাটিজীবন কাটিয়ে দিবে একটা ইলেকট্রনিক্স রোবটের মতো হয়ে ।

৩ । আমরা এটা জানি যে সম্পর্ক কখনো একই রকম থাকেনা আর সম্পর্ক র গভীরতা একসময় পরিবর্তন হয়ে যায়

সেটা হতে পারে মায়ের ভালোবাসা আর যে কারো ভালোবাসা সম্পর্কের পারদটা উঠানামা করবেই ।

এমনটা হতে পারে যে  আপনার সাথে সম্পর্ক জীবন অতিবাহিত করার সময় আপনার কোনো এক দুর্বল পয়েন্টে

সে আপনার থেকে অনেকটা দূরে সরে গিয়ে তার সাবেক ইয়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ।

আর সে থেকেই হয়ে যায় নতুন এক পর’কিয়ার সম্পর্ক আমরা অনেকেই জানিনা

আজকালকের জেনারেশন এ এটাই একটা হট টপিক হয়ে চলে আসছে ।

ফাকে থেকে আপনার সঙ্গিনি গাছের গোড়াও খাবে আগাও খাবে ।

তাই সবসময় এই রকম সেনসেটিভ বিষয়গুলা তে বুঝে শুনে লাফ দিন যেনো পরবর্তী জীবনে আপানকে আর পস্তাতে না হয় ।

 

Leave a Comment